বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে সেমিনারের আয়োজন

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস-২০২৩ উপলক্ষে ঢাকা ইউনির্ভাসিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-নির্দেশনা ও পরামর্শদান দফতর-এর যৌথ উদ্যোগে ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন-এর স্পেশাল সেমিনার কক্ষে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস একটি সচেতনতা বৃদ্ধি মূলক দিন। ২০০৩ সাল থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী আত্মহত্যা প্রতিরোধে দিবস পালন। সারাবিশশ্বর মতো বাংলাদেশেও এ দিবস পালিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী আত্মহত্যা প্রবণতার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান দশম। দিবসটির এবারের প্রতিপ্রাদ্য ‘কর্মের মাধ্যমে আশা তৈরি করি: আত্মহনন থেকে দূরে থাকি’।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এর চাইল্ড, অ্যাডলসেন্ট অ্যান্ড ফ্যামিলি সাইকিয়াট্রি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হেলাল উদ্দিন আহমেদ। তিনি আত্মহত্যার কারণ এবং প্রতিরোধের চাইতে ব্যাধির বিকাশের উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির হিসেবে উ পস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। তিনি বলেন আত্মহত্যায় মৃত্যুর হার কমানো নিশ্চিত করার জন্য জরুরী পরামর্শ প্রয়োজন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. এ কিউ এম শফিউল আজম শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিচালক, উন্নয়ন ও পরিকল্পনা বিভাগ, মাউশি অধিদপ্তর। রঞ্জন কর্মকার, প্রাক্তন মহাসচিব, ঢাকা ইউনির্ভাসিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, সুভাষ চন্দ্র সিংহ রায়, যুগ্ম মহাসচিব, ঢাকা ইউনির্ভাসিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন, আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এডুকেশনাল এণ্ড কাউন্সেলিং সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহীন ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-নির্দেশনা ও পরামর্শদান দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মেহ্জাবীন হক।

সভাপতিত্ব করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী (পারভেজ)। তিনি বলেন আত্মহত্যা কোন বাধ্যগত সিদ্ধান্ত নয়। সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ব্যপক প্রচারণার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরী সম্ভব।

সেমিনারে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ জন শিক্ষার্থী উম্মুক্ত আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারে আত্মহত্যা প্রতিরোধ ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।